কন্টিনেন্টাল হসপিটাল কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সবার একটি পরিবার। গত ১৯ বছরে আপনাদের সহযোগিতা ও বিশ্বাসে এই পরিবার বড় হয়েছে, এগিয়েছে। আমাদের এই যাত্রা হোক আরও দীর্ঘ, হোক সেবায় পূর্ণ।
Watch Videoআবারও নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো কন্টিনেন্টাল হসপিটাল। সুদূর নীলফামারী থেকে আগত একজন হৃদরোগী অত্যন্ত আশংকাজনক অবস্থায় ঈদের আগের দিন ভর্তি হন কন্টিনেন্টাল হসপিটালে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পরও ডা. কায়সার নাসরুল্লাহ খানের তত্ত্বাবধানে ও তার দক্ষ টিমের প্রচেষ্টায় রোগী সুস্থতা লাভ করেন ও আশংকামুক্ত হয়ে বাসায় ফিরে যান।
Watch Videoআমরা সবাই জানি যে বেঁচে থাকার জন্য খাবার প্রয়োজন। কিন্তু সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন 'সুষম খাবার' বা 'Balanced Diet'। অনেকেই মনে করেন দামী খাবার মানেই পুষ্টিকর, আসলে কিন্তু তা নয়। হাতের কাছে পাওয়া সহজলভ্য খাবার দিয়েও একটি আদর্শ খাবারের থালা সাজানো সম্ভব।সুষম খাবার আসলে কী?সুষম খাবার হলো এমন এক ধরনের খাদ্যাভ্যাস যেখানে শরীরের প্রয়োজনীয় সব কয়টি পুষ্টি উপাদান (কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেলস) সঠিক অনুপাতে থাকে।পুষ্টির ৫টি প্রধান স্তম্ভ:১. শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট: আমাদের শক্তির মূল উৎস হলো শর্করা। সাদা চাল বা আটার বদলে লাল চাল বা লাল আটার রুটি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।২. প্রোটিন বা আমিষ: পেশি গঠন এবং শরীরের ক্ষয়পূরণের জন্য প্রোটিন অপরিহার্য। মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি ডাল, বাদাম এবং মটরশুঁটি প্রোটিনের চমৎকার উৎস।৩. শাকসবজি ও ফলমূল: এগুলো থেকে আমরা প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলস পাই। প্রতিদিনের খাবারে অন্তত ২-৩ রঙের সবজি রাখার চেষ্টা করুন। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।৪. ভালো চর্বি বা ফ্যাট: সব ফ্যাট খারাপ নয়। বাদাম, জলপাই তেল এবং সামুদ্রিক মাছের তেল আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত ভাজা পোড়া বা ট্রান্স ফ্যাট এড়িয়ে চলাই ভালো।৫. ক্যালসিয়াম ও আয়রন: হাড় মজবুত করতে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এবং রক্তাল্পতা দূর করতে কচু শাক বা কলিজার মতো আয়রন সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখুন।সুষম খাদ্যাভ্যাসের ৩টি সোনালী নিয়ম:অল্প অল্প করে বারবার খান: একবারে অনেক বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে তিনবেলা প্রধান খাবার এবং মাঝে হালকা নাস্তা খান।চিনির পরিমাণ কমান: অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার শরীরের প্রদাহ বাড়ায় এবং ওজন বৃদ্ধি করে।প্রচুর পানি পান করুন: শরীরের টক্সিন বের করতে এবং হজমে সহায়তা করতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান বাধ্যতামূলক।বিশেষ টিপস: আপনার থালাটি যেন রংধনু রঙের হয়! অর্থাৎ লাল (টমেটো/আপেল), সবুজ (শাকসবজি), সাদা (শর্করা/দুধ) এবং হলুদ (লেবু/ডাল)—সবই যেন থাকে আপনার দৈনন্দিন তালিকায়।
আরও পড়ুনআজকের ব্যস্ত জীবনে আমরা প্রায়ই আমাদের শরীরের যত্ন নিতে ভুলে যাই। কিন্তু ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন আমাদের শরীর ও মনকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে। সুস্থ থাকা মানে কেবল রোগমুক্ত থাকা নয়, বরং মানসিকভাবে চনমনে থাকাও।এখানে এমন ৫টি অভ্যাসের কথা বলা হলো যা আপনি আজ থেকেই শুরু করতে পারেন:১. পর্যাপ্ত পানি পান করুনআমাদের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশই পানি। তাই শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে সচল রাখতে এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।২. সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুনবাইরের তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের বদলে বাড়িতে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার থালায় যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রোটিন থাকে। অতিরিক্ত চিনি এবং লবণ খাওয়া বর্জন করুন, কারণ এগুলো উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।৩. নিয়মিত শরীরচর্চাজিমে গিয়ে কঠিন ব্যায়াম করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা যোগব্যায়াম আপনার হার্টকে ভালো রাখবে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।৪. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুনএকজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের প্রয়োজন। ঘুমের সময় আমাদের শরীরের কোষগুলো মেরামত হয় এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায়। রাতে দেরি করে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যায়।৫. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিনশারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনের কাজের মাঝে অন্তত ১০ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। বই পড়া, গান শোনা বা প্রিয় মানুষের সাথে কথা বলা আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করবে।উপসংহার: সুস্থ থাকা কোনো একদিনের কাজ নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা। আজ থেকেই ছোট ছোট পরিবর্তন শুরু করুন এবং একটি রোগমুক্ত সুন্দর জীবন উপভোগ করুন।
আরও পড়ুন
Dietician VisitConsultation with PhysicianECGCBC + ESRFasting Blood Glucose (FBG)Lipid ProfileLiver Function TestRenal Function Test*Serum CalciumInorganic Phosphate (PO4)Total PSA(Prostate Specific Antigen)*TSH (Thyrotropin)Urine R/EStool R/EBlood GroupingBlood Glucose 2 hours after breakfastX-Ray of Chest PA
View Details
Dietician VisitConsultation with PhysicianECGCBC + ESRFasting Blood Glucose (FBG)Lipid ProfileLiver Function TestRenal Function Test*Serum CalciumInorganic Phosphate (PO4)Total PSA(Prostate Specific Antigen)*TSH (Thyrotropin)HBsAgAnti HCVUrine R/EStool R/EBlood GroupingBlood Glucose 2 hours after breakfastX-Ray of Chest PAUSG of Abdomen Whole (Male/Female) Ultrasonogram
View Details
